পোস্টগুলি

2025 লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সত্যিই আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেছে

ছবি
গ ত কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশের হিংস্রতার দৃশ্য আমাদের অনেকেই হতবাক করে রেখেছে। কেমন যেন মূক-বধির হয়ে গেছি। মনে হচ্ছে ভেতরের ইতিবাচক শক্তি যেন নিঃশেষ। এমন অসুস্থ পরিবেশে একটা জাতি কীভাবে বেঁচেবর্তে থাকে ভেবে বিস্মিত কম হচ্ছি না। ব্যথিত হচ্ছি সেইসব শিশুদের কথা ভেবে, যারা অসুস্থ, হিংসায় উন্মত্ত ওই পরিবেশের ভেতর আছে। কী শিখছে বা শিখবে ওরা আজকের বাংলাদেশে চলমান তাণ্ডব থেকে? ওদের মননে রাষ্ট্র-সমাজ এবং পরিবার যেন সযত্নে বুনে দিচ্ছে হানাহানির সংস্কৃতি। পর মতের প্রতি হিংসাত্মক আচরণের কলাকৌশল। আজ ওরা দেশজুড়ে যা দেখছে শুনছে– বিশেষ করে সাত বছর বয়সি আয়েশা নামের ছোট্ট শিশুটিকে বন্ধ ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করার যে ঘটনা-- কী পাশবিক! কিংবা দীপুচন্দ্র দাস নামে একজন কর্মীকে প্রথমে মেরে হাত-পা ভেঙে তারপর গাছের সঙ্গে বেঁধে পুড়িয়ে হত্যার- এই যে নারকীয় উদাহরণ রাখা হলো– এবং আশ্চর্যের কথা এসব নিয়ে রাষ্ট্র নীরব থাকলো, সুশীল সমাজ নীরব থাকলো। এসব কী শিশু মননে প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে না? প্রচণ্ড ক্ষমতাশালী মবচক্রের ক্ষমতা প্রদর্শনের এই মারণ নেশা যে আজকে যারা শিশু তাদের কাউকে আগামীর মব হতে প্ররোচিত করবে না- সেটা আম...

What We Hold and Lose

ছবি
H umans often show an innate disregard for what comes easily. Where prohibition looms, desire intensifies. The allure of the forbidden frequently outweighs the charm of the accessible. As a result, easily obtained things tend to lose their perceived value. Economic theory echoes this tendency: the law of supply and demand suggests that value is preserved only when supply remains lower than demand. When abundance floods availability, interest fades. Accessibility, paradoxically, breeds neglect. Love, too, can suffer this fate. What rests gently in our palms may slip away unnoticed, only to be mourned later. While not universal, many experience this as an inevitable curse. Familiarity veils affection, and that veil confuses us repeatedly. Humans seem to struggle to love with full vulnerability. The brain, in its quiet fight for survival, instinctively shields us, quickly dispatching perceived threats to hidden chambers of the mind. Perhaps this is why we forget even our deepest sorrows. ...

“Don’t let the bastards grind you down.”

ছবি
স্ব র্ণময়ী’, কী মায়ালু জাদুমাখা একটা নাম! ছবি দেখে বোঝার উপায় নেই নরম হাসিতে ভেসে যাওয়া বুদ্ধিদীপ্ত মেয়েটা আত্মহনের মতো বোকামি করতে পারেন। কেন করলেন এমন বোকামি? কেন গেলেন তিনি ওই পথে? কে তাকে প্ররোচিত করেছে; যার জন্য তিনি বাধ্য হলেন আত্মহননে? এই আত্মহত্যা নিয়ে যার দিকে অভিযোগের আঙুল উঠেছে, শুনতে পাচ্ছি তার খুঁটির নাকি ব্যাপক জোর। কাজেই এটা মোটামুটি নিশ্চিত, এমন জঘন্য অপরাধ করেও অভিযুক্ত দিব্যি বেঁচেবর্তে থাকবে। বছরের পর বছর এমনটাই আমরা দেখে অভ্যস্ত। আজ পর্যন্ত যৌনহয়রানির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক কোনো শাস্তির উদাহরণ কি আমরা ঘটতে দেখেছি? আমার জানা নেই। কারো জানা থাকলে বলবেন প্লিজ। কোথাও আর্টিকেলে পড়েছিলাম, একটা সমাজ কতটা উন্নত সেটা বোঝা যায় সেই সমাজে নারীর অবস্থান কতটা স্বস্তিময়-উন্নত তার ভিত্তিতে। উন্নত সমাজের শর্ত হিসেবে অবশ্যই আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ রয়েছে– কিন্তু নারীর উন্নত অবস্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের মতো দেশে বিকৃতমনষ্ক কিছু মানুষাকৃতির পশুর কারণে সে অবস্থান নিরন্তর টলে যায়। যেন সেটা সোনার পাথর বাটি। বাস্তবে সোনার পাথরবাটির অস্তিত্ব আছে, কিন্তু আমাদের মতো দেশে নারীর জন্য...

পূর্ণিমা

ছবি

জাদুকর, আপনার অনন্তের যাত্রা শান্তির হোক

ছবি
  এ ক জীবনে মানুষ তার শৈশব ভাঙিয়েই বুঝি বেঁচে থাকে। আমাদের লাল-নীল রঙের শৈশবের বুক পকেটে গোঁজা থাকে একজীবনের খুশি-- কুড়িয়ে পাওয়া আনন্দ নামের মণিমুক্ত। সে যেন এক সোনার কাঠি-রূপোর কাঠির গল্প। যার ছোঁয়ায় জীবন্ত হয়ে ওঠে আমাদের ছেলেবেলা। আজ একটা মন খারাপের খবর জেনে আমার শৈশবও বুঝি চিবুক নেড়ে কাছে এসে বসে পড়লো। ওর বুকপকেট থেকে উঁকি দেওয়া স্মৃতি জীবন্ত হয়ে উঠলো নিমিশে-- ওই তো দিব্যি যেন দেখতে পাচ্ছি, কিশোর, মুসা আর রবিন রওনা দিচ্ছে ক্যানারি দ্বীপে-- সেই কোন সুদূর অতীতে পড়া 'রহস্য দ্বীপ' সতর্ক করে বলছে- নির্জন আর শান্ত ওই দ্বীপে ওদের জন্য বিপদ ওত্ পেতে আছে-- কিন্তু ডাকাবুকো ছেলে তিনটিকে কে আটকায়। শুটকিটেরির শতেক হ্যাপাতেও কী কাজ হয়েছে কখনও। শুটকিটেরির নাম মনে পড়তেই বিষণ্নতা টপকে নির্লজ্জের মতো ঠোঁটে হাসি ফুটতে চায়। হালকা পাতলা গড়নের হওয়ায় কলেজের একদুষ্টু বন্ধু আমাকে ওই নামে ডাকতো-- আকারে শুটকিটেরি হলেও স্বভাবে মোটেও তা ছিলাম না। যেহেতু রেগে যেতাম, সে তাই মজা পেয়ে আরো বেশি করে 'শুটকিটেরি,শুটকিটেরি' বলে ক্ষ্যাপাতো। আমার শৈশব-কৈশোরের অনেকটা জুড়ে 'তিন গোয়েন্দা'। সময় উজিয়ে ব...

Writing in Exile, Reading for Home

ছবি
W riting is a quiet act of self-revelation. Often, writers give more than they realize through passing references to food, a character’s silence or a subtle turn of phrase. These are not arbitrary choices. They are emotional breadcrumbs, shaped by cultural codes that define how we express grief, joy and identity. For a writer living far from her homeland, a native language becomes both refuge and compass. Even in English, traces of heritage seep in, sometimes deliberately, sometimes unconsciously. Readers hunger for connection not from malice, but longing. We read to understand, to feel less alone, to glimpse the soul behind words. Autobiographical writing is curated. What’s withheld reveals as much as what’s shared. We receive fragments. Every story is shaped, every truth partial, every silence deliberate, every absence meaningful. Art becomes the bridge, allowing the writer to conceal and confess and the reader to reflect and reach. This tension between exposure and mystery, between ...

তোমার আনন্দে আমার জেগে ওঠা

ছবি
  স দ্য নোবেলপ্রাপ্ত লাসলো ক্রাসনাহোরকাইকে নিয়ে সাহিত্য জগতের মাতামাতি এখনও সম্ভবত থিতিয়ে যায়নি। তাঁর সাহিত্য নিয়ে চারপাশের আলোচনা থেকে অনেক তথ্য জানা গেছে। ২০১৫ সালে ম্যান বুকার ইন্টারন্যাশন্যাল পুস্কারের ছুতোয় তাঁর নাম শোনার সুযোগ হয়েছিল। সে পর্যন্তই। ক্রাসনাহোরকাইয়ের লেখাপত্র পাঠের নিবিড় সুযোগ এখন পর্যন্ত হয়নি। নোবেল সাহিত্যের সুবাদে আবারও তাঁর নাম শোনার সুযোগ ঘটেছে। বলাইবাহুল্য, এবার তাঁকে নিয়ে আলোচনার ব্যাপ্তি অনেক বেশি- এবং সেটা স্বাভাবিক। চারপাশের আলোচনা থেকে এমনটাই আঁচ করা যাচ্ছে, তিনি তাঁর যোগ্যতার স্বীকৃতি পেয়েছেন। আমরা যে যতই পুরস্কার বিরোধী হই না কেন-- যোগ্য কেউ তাঁর কাজের যথাযথ স্বীকৃতি পাচ্ছেন, সেটা প্রত্যক্ষ করা যথেষ্ট আনন্দের। সেই আনন্দ নিয়ে ২০২৫-এর নোবেল প্রাপ্ত সাহিত্যিক লাসলো ক্রাসনাহোরকাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।  না, আপাতত তাঁর সাহিত্য পাঠের কোনো পরিকল্পনা নেই-- তবে সাহিত্য জগত থেকে অন্য কোথাও আমার মনোযোগের বিনিয়োগ ঘটতে চলেছে, এমনটাও নয়। ঘুরেফিরে এই বৃত্তে থিতু হয়ে স্বস্তি পাই। লেখক হিসেবে লেখার মান নিয়ে পাঠক ভালো বলতে পারবেন। পাঠক হিসেবে আমি মধ্য...

শান্তির ছদ্মবেশে কি স্বাধীনতাহরণ?

ছবি
নো বে ল শান্তি পুরস্কারের কপালে কলংকরেখা যতদিন যাচ্ছে ততই যেন গাঢ় হয়ে সেঁটে বসছে।  প্রতি বছরই অশান্তিতে পটু, বিতর্কিত ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে পুরস্কারটি। ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে যেন শান্তিকে এই মর্মে হুশিয়ার সাবধান করার খেলা শুরু হয়েছে। এবছরও ব্যতিক্রম কিছু ঘটেনি। বরং এমন একজনের হাতে শান্তির নোবেল তুলে দেওয়া হয়েছে যা রীতিমত অস্বস্তিকর,–অন্তত শান্তির ক্ষেত্রে তো বটেই। যিনি এবছর শান্তির নোবেলটি বগলদাবা করলেন তার অতীত কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করলে বিষয়টা যতটা স্পষ্ট হয়, শান্তির বুক আতঙ্কে ততটাই ধড়াস ধড়াস করে ওঠে। হুগো শাভেজ ১৯৯৯ সালে যখন ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন, বিষয়টা তখন যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মারিয়া কারিনা মাচোদাকেও অসন্তুষ্ট করেছিল। কেননা হুগো একজন কট্টর বামপন্থী নেতা, যিনি দরিদ্রদের প্রতি সহমর্মী। ক্ষমতায় এসে তিনি তাদের কথা ভেবেই সামাজিক কর্মসূচি চালু করেন, তেল সম্পদের পুনর্বণ্টন করেন এবং গ্রহণ করেন যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী পররাষ্ট্রনীতি। শাভেজের গৃহীত নীতিগুলো সমাজের উচ্চবিত্ত, সামরিক কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ীদের অস্বস্তিতে ফেলে। দেশটিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ছায়া তখন থেকে সক্...

চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়...

ছবি
চ লে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়- বিচ্ছেদ নয় চলে যাওয়া মানে নয় বন্ধন ছিন্ন-করা আর্দ্র রজনী চলে গেলে আমারও অধিক কিছু থেকে যাবে আমার না-থাকা জুড়ে। জানি চরম সত্যের কাছে নত হতে হয় সবাইকে- জীবন সুন্দর আকাশ-বাতাস পাহাড়-সমুদ্র সবুজ বনানী ঘেরা প্রকৃতি সুন্দর আর সবচেয়ে সুন্দর এই বেঁচে থাকা তবুও কি আজীবন বেঁচে থাকা যায়! বিদায়ের সেহনাই বাজে নিয়ে যাবার পালকি এসে দাঁড়ায় দুয়ারে সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে এই যে বেঁচে ছিলাম দীর্ঘশ্বাস নিয়ে যেতে হয় সবাইকে অজানা গন্তব্যে হঠাৎ ডেকে ওঠে নাম না জানা পাখি অজান্তেই চমকে ওঠি জীবন, ফুরালো নাকি! এমনি করে সবাই যাবে, যেতে হবে… https://www.facebook.com/share/v/1BQ5Pi2vDM/

We Are Rekha

ছবি
T he only daughter of the householder and the maid both share the same name, Rekha. Since the maid is poor and dependent on them, the burden of renaming falls on her. She had been employed in this household for just over a month. On her first day, when her name was heard, the house erupted in laughter. My mother had said, “Oh dear, you both have the same name! When one is called, the other might respond. Or one might think she’s being summoned while the other actually is. No, this won’t do. You must change your name, do you understand?” What the maid understood, no one knew. But so far, we’ve both kept our respective names. There were moments of confusion, but we managed to get by without much trouble. Everything changed when Aunt arrived. She visits Dhaka for three weeks every year. During that time, she stays with us, mostly for medical check-ups to ensure the continued health of every organ in her body. My father, being a well-known doctor, gives her special treatment, even by pass...

নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে...

ছবি
প্রা য় বছর পনেরো পর আরো একবার অপরিচিত গায়কের গান শুনে মুগ্ধতার পর, শিল্পী সম্পর্কে খোঁজ নিতে গিয়ে বাকরুদ্ধ হতে হলো। বছর পনেরো আগে যাঁর গায়কীতে প্রথমে মুগ্ধ, এবং পরে শিল্পী সম্পর্কে জানার পর মন বেদনায় ভরে গিয়েছিল; তাঁর নাম বিক্রম সিং খাঙ্গুরা। বিক্রমের গলায় শোনা, ‘নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে…’ আজও আমার মন খারাপিয়া সময়ের সঙ্গী। দ্বিতীয়জন সদ্য প্রয়াত জুবিন গার্গ। নিজের জানার সীমাবদ্ধতার কথা অকপটে স্বীকার করে বলছি; “Tujhse Door Main Ek Hi Wajah Ke Liye Hoon/ Kamzor Ho Jaata Hoon Main” শোনার আগে এই শিল্পী সম্পর্কে আমার কিছুই জানা ছিল না। গানটা শুনে ভালো লাগায় শিল্পী সম্পর্কে খোঁজ নিতে গিয়ে বোকা বনে গেছি। গত দুদিন ধরে এই গানের ধুনটাই মাথায় ঘুরছে অনবরত। বিক্রম এবং জুবিন দুজনই অকালপ্রয়াত। কবি, সঙ্গীতশিল্পী এবং আঁকিয়ে বিক্রম সিং মারা গেছেন মাত্র একত্রিশ বছর বয়সে। সেদিন বিক্রম তাঁদের শান্তিনিকেতনের বাড়িতে একাই ছিলেন। সঙ্গীতজ্ঞ বাবা মোহন সিং শান্তিনিকেতনের বাইরে ছিলেন। গিয়েছিলেন গানের অনুষ্ঠানে , সঙ্গে ছিলেন ছোটো ছেলে আর ছেলেরবউ। বিক্রম তাঁর আঁকার সরঞ্জাম, কবিতার বই-খাতা- গানের অজস্র স্মৃতি ফেলে ঝিঁ...

Books Are Like People: A Writer’s Reflection Across Culture

ছবি
I was moved by reading Prakruti Maniar’s writing ‘Books are like People’, An article from the Purple Corner.That awakening of feelings occurred both as a reader and as a writer. What she's written is stunning, poetic, incisive, and deeply resonant. It captures the paradox of storytelling; the intimacy of self-revelation and the inevitable incompleteness of interpretation. I do agree with you Prakruti, profoundly. And here’s why, The Writer’s Vulnerability and the Reader’s Hunger: Writing as Self-Exposure Writers often give more of themselves than they realize. The “culture codes” she describes in those intimate, coded fragments, are the DNA of a writer’s soul. They’re not just literary devices; they’re emotional breadcrumbs. A dish mentioned in passing might be a portal to a childhood memory. A character’s silence might echo the author’s own grief. These details are not arbitrary, they’re confessions in disguise. Here I would like to briefly explain what Prakruti means by cultural ...