পোস্টগুলি

অলসভাবনা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ইডি নিউম্যানের সঙ্গে কথোপকথন

ছবি
সাক্ষাৎকার বুঝি আত্মপ্রকাশের একটা দরজা খুলে দেবার মতো ব্যাপার। দুজন(কখনো কখনো দুইয়ের অধিক) মানুষের কথোপকথনে প্রসঙ্গ থেকে প্রসঙ্গান্তরে উঠে আসে অনেক কথা, স্মৃতি আর গল্পের বীজ। এতদিন সাক্ষাৎকারগ্রহীতা হিসেবে বেশ কয়েকজন সাহিত্যিকের সাক্ষাৎকার নিয়েছি। তাঁদের সবাই লেখালিখির ক্ষেত্রে উজ্জ্বল এবং বিস্ময় জাগানোর মতো রয়েছে তাঁদের ভক্তপাঠক। তার কিস্যুই নাহার তৃণার নেই। সংগ্রহের যে ব্যাপক বিশাল আগ্রহ আছে তাও নয়। গতবছর পর্যন্ত সাহিত্যে নোবেলখানা কোন উপায়ে বগলদাবা করা যায়, সেটি নিয়ে ভাবতেম। নোবেলপ্রাপ্তি নিয়ে কোনো এক ভিনদেশি সাহিত্যিকের মতামত জানার পর ‘নাআআ এ হতে পারে না’ বলে সেস্বপ্ন ভাসান দিয়েছি। মাথা খারাপ নাকি! কাড়ি কাড়ি সাক্ষাৎকার দেওয়া লাগবে। আজ এই অনুষ্ঠানে যাও, কাল ওইখানে গিয়ে বলো: যখন ফোনটি এলো, আমি তখন আনন্দ নাড়ুতে সবেমাত্র কামড় বসিয়েছি! প্রশ্নকর্তা চোখ মটকে হয়তো বলতে চাইবেন, আরে না, না, ওই ফোন আপনাকে যখন করা হবে তখন হয়তো ওখানে গভীর রাত… তো? যার রাত জাগার অভ্যেস, সে না ঘুমিয়ে নাড়ু খেতে পারে না? যুক্তির মুখে চুনকালি! মোদ্দাকথা, সাক্ষাৎকারের নামে একঘর লোকের সামনে লেখালিখি নিয়ে বলতে হবে...

অতিচিন্তা: চক্রব্যূহের অভিশাপ

ছবি
আ মরা অনেকেই অতিরিক্ত চিন্তার জালে জড়িয়ে খামোখাই ক্লান্ত হই। হয়তো প্রকৃত ঘটনার অনুবাদ সম্পূর্ণই ভিন্ন; না বোঝার ফলে সেটা আত্মক্ষরণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যা শুধু পোড়ায় না, যথেষ্ট সময় নষ্টেরও কারণ হয়। এমন ঘটনায় আমিও যে জড়াই না তা নয়, তবে বিভ্রান্তির জাল মেরেকেটে দ্রুত বেরিয়ে পরার একটা বিল্টইন প্রসেস নিজের ভেতর থাকায় ভোগান্তি কম হয়। এমন সব বিষয় যা আমাদের অতিরিক্ত চিন্তার লুপে প্রলুব্ধ করে, সেরকম বিষয়বস্তু নিয়ে Eckhart Tolle প্রচুর লেখাজোখা করেন। ইনি অনেকের কাছে Modern spiritual philosopher হিসেবে পরিচিত। তাঁর ‘The Power of Now’ বা ‘A New Earth’ ব্যাপাক পাঠকপ্রিয় বই। এই বইগুলোতে তিনি আমাদের চিন্তার প্রকৃতি, অহং (ego), অতিরিক্ত চিন্তায় সময় নষ্ট না করে বর্তমান মুহূর্তে থাকা, মানসিক কষ্টের উৎস ইত্যাদি দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত বিষয়আশয় নিয়ে বলেছেন। তাঁর বলবার ভঙ্গিটি সরল এবং কিছুটা গল্পকথকের মতো। 'দ্য পাওয়ার অফ নাও' বইটিতে হার্ট টোল এমন একটা অভিজ্ঞতা গল্পচ্ছলে বলেছেন যা অনেকটা এরকম:  এক লোক রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় রাস্তার উল্টো দিকে পরিচিত একজনকে দেখতে পেলেন। তিনি হাত নেড়ে ত...

বাদ যাবে কি মুজিব(বাদ!)?

ছবি
গ ত বছর জুলাই আন্দোলনের নামে, সরকার পতনের পর, বছর ঘুরে আবার জুলাই এসেছে। অন্তবর্তীকালে যাকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্টের, আরেকটু খোলাসা করে বললে- ডেমোক্র্যাটদের প্রিয়ভাজন। মোহাম্মদ ইউনুস। সতীত্ব হারানো নোবেল শান্তি পুরস্কার লোরিয়েটের হাতে ২০২৪ এর আগস্টে ক্ষমতা যাওয়ায় দেশের প্রচুর মানুষ আহ্লাদে গদগদ হয়েছিলেন। তাদের সেই আহ্লাদের ফানুস ভোকাট্টা হতে সময় লাগেনি। অনেকে প্রকাশ্যে তার জন্য হায় আফসোস জানান দিচ্ছেন। ইগোধারীরা হয়তো গোপনে দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন। তাদের যাতনাটা অধিক, বলাই বাহুল্য। মোটকথা, হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে হটানো গেলে হাটেমাঠেঘাটে শান্তি থইথই করবে–এমনটা যারা ভেবেছিলেন তাদের দারুণভাবে হতাশ হতে হয়েছে। কারণ বর্তমানে দেশের অর্থনীতি থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৈন্যদশা, '৭১-এর পর স্বাধীন বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ করেনি। শান্তির ধারে কাছেও আজ বাংলাদেশ নেই। বিগত ১৫/১৬ বছরে কাওয়ামী মাদ্রাসার বাম্পার ফলনে শ্রম ব্যয় করে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্য যে বিষবৃক্ষ রোপন করে গেছেন, তার ছত্রছায়ায় বসে ইউনুস সরকার আয়েশ করে দেশ সংস্কারের পরিকল্পনার ছক আঁকছেন। ইউনুস বাহিনী যে পরিকল্পন...