ফুলগুলো সব কোথায় গেল?
ক য়েক মাস ধরে আল-শুজাইয়া এলাকায় যুদ্ধ চলার পর, যে জায়গাটি একসময় ছিল প্রাণ প্রাচুর্যে ভরপুর- তার সবকিছুই হারিয়ে গেল। না কোনো ঘরবাড়ি, না মানুষ, না সেই চেনা জগতের কোনো চিহ্ন। তৃতীয়বারের আগ্রাসনের পর অঞ্চলটি পরিণত হয় এক প্রেতনগরে। আমার চির চেনা আল শুজাইয়া নীরবতা আর ধ্বংসস্তূপের মাঝে কবর হয়ে পড়ে রইলো। গণহত্যার সেই সময়ে, তখনো যখন আমাদের ঘর ছাড়তে হয়নি, আমি প্রায়ই সূর্যাস্তের সময় ব্যালকনিতে গিয়ে দাঁড়াতাম। সঙ্গে থাকতো আমার পাঁচ বছর বয়সি ছোটো বোন মারাহ। আমি আকাশ, মেঘ, তারা দেখতাম, কেবল নিচের দিকে ভুলেও তাকাতাম না। নিচের জমিন রক্ত আর ধ্বংসে ভেসে যাচ্ছে। এতবার আমাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে যে মনে হতো মাটিও বুঝি আমাদের দেখছে। মারাহ আর আমি ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে হালকা হাসি-ঠাট্টা করতাম, চারপাশের ভয়াবহতা থেকে একটু পালানোর ছুতো খুঁজে নেওয়া। এক সন্ধ্যায় সে জিজ্ঞেস করলো, “আমি কি তারাকে হাতে নিতে পারি?” আমি আকাশের দিকে তাকালাম। কিন্তু তার আগেই সে বলে বসলো, "তারা ওরকম অন আর অফ হয় কেন, নাদেরা?” আমারও তো তাই ভাবনা, এই রক্ত আর ধ্বংসের মধ্যেও তারারা কীভাবে এখনো জ্বলে? মারাহ আবার বলল, “আমি কি তারাটাকে ছো...