পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সহজকথা থেমে গেল, রাহুল!

ছবি
  " জীবনে জটিলতার শেষ নেই। কিন্তু সব জটিলতার রয়েছে এক সহজ সমাধান - সহজ কথা।" ছেলে সহজকে লেখা বাবা রাহুলের চিঠিটি রেখে দিলাম এখানে: "এই চিঠিটা আজকে ‘ফাদারস ডে’ বলে লিখতে বসা। যদিও তোমার বাবা নিজে বেহদ্দ বাংলা মিডিয়াম। জীবনেও ‘ফাদারস ডে’, ‘মাদারস ডে’— এ গুলো আলাদা করে জানত না, কিন্তু কুঁজোর যেমন চিৎ হয়ে শুতে ইচ্ছে করে, আমারও আজকাল এ সব উদযাপন করতে ইচ্ছা করে। আসলে কিছুই না, তোমাকে কাছে পাওয়ার অজুহাত। জানো সহজ, আমি আর তোমার মা তখন থেকে বন্ধু যখন তোমার মায়ের ১৪ বছর বয়স ছিল, আর আমার ২১। সব ধারাবাহিকে আমরা ভাই-বোন। যে হেতু ছোট, তাই অন্যদের ছেড়ে শেষে আমাদের শট নেওয়া হতো। আর আমরা দু’জন সেটের কোনায় বসে আড্ডা মেরে যেতাম। তোমার মা ছিল বেহালার একজন অ্যাকাউন্টস শিক্ষকের মেয়ে আর আমি খুব সাধারণ এক সরকারি চাকুরের ছেলে। আমরা দু’জন এই ইন্ডাস্ট্রির কিছুই জানতাম না। শুধু জানতাম, মন দিয়ে অভিনয়টুকু করতে। তোমাকে এই গল্প কেন বলছি জানো? যদি কখনও তুমি আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করো, তা হলে তুমি জানবে তুমি প্রিভিলেজড, যে প্রিভিলেজ একটি ১৪ বছরের মেয়ে এবং একটি ২১ বছরের ছেলে দিনের পর দিন অপমানিত হতে হত...

সামাজিক স্যাডিজম: এক আধুনিক মহামারি

ছবি
পৃথিবী আজ গভীর অসুখে আক্রান্ত। কোনো দেশই আর নিরবিচ্ছিন্ন শান্তিতে নেই। দেশ শান্ত না থাকলে তার মানুষগুলোও অশান্তিতে থাকে। দেশে দেশে মানুষগুলোকে শান্তির নামে অশান্তি আর যুদ্ধে লেলিয়ে দিচ্ছে অসাধু শাসকের দল। ফলত পৃথিবীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মানুষগুলোও কমবেশি অসুস্থ। স্যাডিজম নামের ভয়াবহ এক অসুখ ঘিরে ধরেছে আমাদের। আমরা আগের মতো অন্যের আনন্দে আনন্দ খুঁজে পাচ্ছি না। ঈর্ষাকাতরতায় আমরা এতটাই কাতর হয়ে পড়ছি যে নূন্যতম ভদ্রতাটুকু পর্যন্ত খসে পড়ছে, এবং তাতে আমাদের বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপও নেই। অন্যের প্রাপ্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করায় আমরা বিদঘুটে আনন্দ খুঁজে নিচ্ছি। ‘তোমার আনন্দে আমার নেচে ওঠা’ তাই অন্তঃসারশূন্য, স্রেফ কথার কথা হিসেবে ভ্রুকুটি করছে আমাদের দিকে চেয়ে। একে সামাজিক স্যাডিজম বলতে পারি। যা নীরবে আমাদের রক্তের বিশুদ্ধতায় বিষ ঘুলে দিচ্ছে। সামাজিক স্যাডিজম বলতে কি বোঝায়? অন্যকে অপমান, কষ্ট বা ধ্বংস হতে দেখে একধরনের মানসিক তৃপ্তি পাওয়া, এবং সেই তৃপ্তিকে ন্যায়, নৈতিকতা বা বিচার নামের আড়ালে বৈধ করে তোলাই সহজ কথায় স্যাডিজম।এটি কোনো বিচ্ছিন্ন মানসিক ব্যাধি নয়; বরং যখন একটি সমাজে মানুষ ক্রমাগত অন্যের পতন,...

উই হ্যাভ দ্যাট ড্রিম

ছবি
‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের বিখ্যাত ভাষণ। কিং জুনিয়র এটা ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটনে দিয়েছিলেন। ভাষণে তিনি বর্ণ বৈষম্যের অবসান আর সবার জন্য সমান অধিকারের দাবি জানান। তাঁর স্বপ্ন ছিল, একদিন সবাই জাতি-বর্ণ নির্বিশেষে একসাথে শান্তি আর সম্প্রীতির ছায়ায় বাস করবে। লুথার জুনিয়রের এই ভাষণ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের একটা মাইলফলক। একই সঙ্গে এটাকে ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী ভাষণ হিসেবে ধরা হয়। প্রতি বছর জানুয়ারির তৃতীয় সোমবার মার্টিন লুথার কিংয়ের স্মরণে ফেডারেল হলিডে হিসেব পালিত হয়ে আসছে। ক্ষমতায় যে দলই বহাল থাকুক তাতে কোনো ব্যত্যয় ঘটে না। এই দিনকে ছুটির তালিকা থেকে বাতিল কিংবা ভাষণটাকে তামাদি করার কোনো দাবি কখনও উঠেছে বলে জানা নেই। বাংলাদেশের ভান্ডারেও এরকম একটা ঐতিহাসিক ভাষণ আছে। গেটিসবার্গ এড্রেস, আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম, ১৯১৬’র ৮ ফেব্রুয়ারি বার্ণে ভ্লাদিমির লেনিনের ভাষণ, চার্চিলের দেয়ার ফাইননেস্ট আওয়ার, নেলসন ম্যান্ডেলার আই অ্যাম প্রিপেয়ার টু ডাই, এর পাশে ৭ মার্চের ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ স্বমহিমায় জায়গা করে নিয়...