পোস্টগুলি

Dear God

ছবি
D ear God, I ’m disturbing you—well, my mother says you listen to everyone, so you have to listen to me too. I often hear people say that you love the rich very much. If that’s true, then why did you send poor children like us to this world? And if you had to send us, why send us to a country as utterly poor as Bangladesh, God? People here are so strange. In the last two or three months, so many children have died of measles. I cried secretly for them. But look at the grown-ups—no one seems to care! They are always busy staring at their phones, watching funny videos, laughing, or taking pictures of their food. Even the uncles who write big books and stories haven't written a single line for those gone children. How can everyone be so heartless? I stayed silent back then, but after hearing about what happened to Ramisa, I am terrified. Tell me God, shouldn’t I be scared? No matter how much I talk, I’m only seven years old like Ramisa. Rahima Bua said a monster ate Ramisa. And she ...

ফুলগুলো সব যাচ্ছে ঝরে, সতর্ক হও...

ছবি
বাং লাদেশের হাম পরিস্থিতি এখন ভয়াবহ চেহারা নিয়েছে। এটি এখন আর শুধুমাত্র একটি স্বাস্থ্যগত সংকট নয়; এটি একটি বড় ধরনের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যর্থতার দলিল। বিশেষ করে যখন ইউনিসেফের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থা এই মহামারীর বিষয়ে আগাম সতর্কবার্তা দিয়েছিল, তখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সেই সতর্কতা আমলে না নেওয়া বা সময়মতো পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হওয়া এই মৃত্যুমিছিলকে দীর্ঘায়িত করেছে। সরকারি হিসাবে চারশো এবং বেসরকারি হিসাবে আরও অসংখ্য শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রের ভঙ্গুর স্বাস্থ্য কাঠামোর নগ্ন রূপটিই ফুটিয়ে তুলছে। হামের প্রাদুর্ভাব হুট করে আকাশ থেকে পড়েনি। ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বারবার সতর্ক করেছিল যে, রুটিন টিকাদান কর্মসূচিতে বড় ধরনের গ্যাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দেখুনদারি সর্বস্ব পরিবর্তনের ডামাডোলে স্বাস্থ্য খাতের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমগুলো প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল। ফলে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা জানালেও, নীতিনির্ধারকরা পতিত সরকার ও আওমীলীগকে যতভাবে সম্ভব টাইট দেবার, প্রশাসনিক রদবদল আর উচ্চপর্যায়ের সংস্কার সংস্কার খেলা নিয়ে এতই ব্যস্ত ছিলেন যে, তৃণমূলের শিশু...

যেতে যেতে মা বুঝি তাঁর ছায়া গেছে ফেলে...

ছবি
  “When I find myself in times of trouble, Mother Mary comes to me Speaking words of wisdom, let it be”-- Beatles এ দেশে আসার পর একদিন খেয়াল করলাম আকাশে ফুটে থাকা চাঁদটা অনেক গোলগাল আর আকারেও যেন বড়সড়। দেখতেও সুন্দর। দেশে থাকতে চাঁদকে এত কাছের মনে হয়নি তো! এ কথা শুনে মা হাসতেন। বলতেন, আমেরিকানরা চাঁদে গেছে তাই ওদের সঙ্গে সখ্যতা বেশি, চাঁদও বড়। তখন আমার সেলফোনটা ছিল গরিবের গরিব। ক্যামেরা না থাকায় বড়সড় চাঁদটাকে কখনো দেখানোর সুযোগ হয়নি মাকে। দুইপ্রান্তে বসে দুজন দিন রাতকে সামনে রেখে চাঁদের প্যাচাল করতাম। আগডুম-বাগডুম আরো কত কী যে গল্প করতাম। ভাবতাম, আর তো মাত্র কয়েকটা দিন–তারপর মা এখানে এলে, দুজন পাশাপাশি বসে চাঁদ দেখা যাবে। যদিও মা এদেশে স্থায়ীভাবে থাকতো না, নিজের দেশটা যে তাঁর জান। শিক্ষা-চাকরি ইত্যাদি সূত্রে বাবাকে দীর্ঘসময় ইউরোপের নানা দেশে থাকতে হয়েছে। আমাদের কারণে পাকাপাকিভাবে ওখানে গিয়ে থাকা মায়ের পক্ষে সম্ভব হয়নি। তেমনটা হলে জন্মসূত্রে বাংলাদেশি বলার সুযোগটা বড় ভাইবোনেরা বাদে আমরা হয়তো পেতাম না। শিকড়, ছেলেপুলে ইত্যাদির অজুহাতে মা বরাবর দেশে থাকতে চেয়েছেন। বাবাও যে খুব একটা বিদ...

বন্ধু হয়ে তুমি আছো যে দাঁড়ায়ে...

ছবি
  “… ল ম্বা আলখাল্লা জড়ানো দাড়িওয়ালা ঋষির মতন মানুষটার ছবির সামনে এসে দাঁড়ায় সে। বড়দা বলে, যখন মনে হবে বুকের ভেতর কষ্টগুলো কেবলই ভারী হচ্ছে, তখন এঁর বইয়ের কাছে আশ্রয় চাইবি।” কেবল গল্প-উপন্যাসের চরিত্র নয়; বাস্তবে, আমরা শতকোটি বাঙালি আপনার শব্দ-বাক্যের কাছে প্রতিদিন—প্রতি মুহূর্তে আশ্রয় চাই এবং পাই। আপনি আমাদের ভরসার জায়গায় ছিলেন-আছেন-থাকবেন। প্রিয় বুড়ো, শুভ জন্মদিন! প্রিয় একটি কবিতা: 'মিথ্যে কথা' -শঙ্খ ঘোষ লোকে আমায় ভালোই বলে দিব্যি চলনসই দোষের মধ্যে একটু নাকি মিথ্যে কথা কই। ঘাটশিলাতে যাবার পথে ট্রেন-ছুটছে যখন মায়ের কাছে বাবার কাছে করছি বকম বকম। হঠাৎ দেখি মাঠের মধ্যে চলন্ত সব গাছে এক একরকম ভঙ্গি ফোটে এক একরকম নাচে। “ওমা , দেখো নৃত্যনাট্য” -যেই বলেছি আমি মা বকে দেয় , “বড্ড তোমার বেড়েছে ফাজলামি।” চিড়িয়াখানার নাম জানো তো আমার সেজ মেসোর আদর করে দেখিয়ে দিলেন পশুরাজের কেশর। ক’দিন পরে চুন খসানো দেয়াল জুড়ে এ কী ঠিক অবিকল সেইরকমই মূর্তি যেন দেখি ? ক্লাসের মধ্যে যেই বলেছি সুরঞ্জনার কাছে “জানিস ? আমার ঘরের মধ্যে সিংহ বাঁধা আছে !” শুনতে পেয়ে দিদিমণি অমনি বলেন “শোন , এসব কথা আবার যেন না শুন...

বিদায় আমাদের যুদ্ধদিনের পরম বন্ধু, রঘু রাই...

ছবি
আমরা কি বিস্মৃত হতে ভালোবাসি? মানুষমাত্রই বিস্মৃত প্রিয়? কী ভুলতে চাই আমরা? মানুষ সাধারণত ক্ষতময় স্মৃতিকে ভুলে থাকায় স্বস্তি খোঁজে। স্মৃতির যে ক্ষত আমাদের অসুস্থ করে তোলে তাকে বিস্মৃত হওয়ায় স্বস্তি হয়তো আছে— তাতে আত্মার গহীন কোণে অস্বস্তি জমতে জমতে যে পাহাড় হয়ে ওঠে না, সেকথা বুকে কিল মেরে বলা সম্ভব নয়। হঠাৎ কেন স্মৃতি-বিস্মৃতি নিয়ে পড়লাম? একটা মৃত্যু কেমন অপরাধী করে তুললো। অস্বস্তি তৈরি হলো ভীষণ। মৃত্যুর সে খবর সামনে এসে হুট করে খুলে দিলো স্মৃতির দরজা। সেই দরজা বেয়ে সামনে এলো আমাদের সবচেয়ে গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের সাদাকালো গুচ্ছ গুচ্ছ ছবি। সময় যেখানে থমকে আছে। যুদ্ধদিনের সেসব স্থিরচিত্রে খুব বেশিসময় তাকিয়ে থাকা কষ্টের— বুকে ব্যথা ঘুরে ঘুরে কেবলি চিবুক নাড়ে: কত ত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া আমাদের স্বাধীনতা! কত লক্ষ-কোটি হা হাকারে বাতাস ভারী করে তবেই ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের ভূখণ্ডে নেমে এসেছিল চূড়ান্ত বিজয়! গুচ্ছ গুচ্ছ সেসব স্থিরচিত্রে বেশির ভাগটাই যাঁর ক্যামেরায় বন্দি হয়েছিল। যিনি পরম মমতায় সেই সময়কে তাঁর ক্যামেরায় ধারণ করেছিলেন— ওই সময় তাঁর তোলা ছবিগুলো ছাড়া আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ভিজ্যুয়াল স্মৃ...

বাংলাদেশে হাম–সংকট: টিকাদান ব্যবস্থার পতন ও শিশু মৃত্যুর ট্র্যাজেডি

ছবি
গত পরশু রাতে দেখা Mardaani 3-এর কথা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। যেখানে একটি ভয়ংকর আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে ভারতের স্থানীয় একটি চক্র হাত মিলিয়ে দরিদ্র মেয়েশিশুদের অপহরণ করে। কিন্তু এসব শিশু অপহরণ শুধু পাচার বা যৌন নিপীড়নের জন্য না। তাদের গিনিপিগ হিসেবে ব্যবহার করা হয় অবৈধ মেডিক্যাল ট্রায়ালে, সার্ভিকাল ক্যানসারের ওষুধ পরীক্ষায়। যার রয়েছে আন্তর্জাতিক বিশাল বাজার আর তা থেকে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার উপার্জনের হাতছানি। হামের টিকার পেছনে তেমন কোনো ষড়যন্ত্র নেই তো! আমরা ঘরপোড়া গরু, সিঁদূরে মেঘ দেখলেই কেমন আতঙ্ক হয়। গত ১৮ মাসে মুহাম্মদ ইউনূস সংস্কারের নামে কম উন্নয়ন তো দেশটার করে যাননি! দেশটার ইঞ্চি ইঞ্চি জুড়ে খালি উন্নয়ন আর উন্নয়ন। বিদায় বেলাতেও তিনি আমাদের দিয়ে গেছেন স্মরণযোগ্য এক উপহার। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি! তার জন্য বাংলাদেশ প্রতিক্ষণে তাকে স্মরণ করবে। উন্নয়নের উচ্ছ্বাসে আমরা উদ্বাহু হয়ে গাইবো– আমি তোমারই, তোমারই, তোমারই নাম গাই… আমাদের বাঁশ দেসো তুমি! আমরা কতটা অবিবেচক নির্মম হতে পারি, শিশুদের জীবন নিয়েও রাজনীতি করতে দ্বিধা হয় না। কেন বলছি এমন কথা? দেশে হামের প্রাদুর্ভাব আর নিষ্পাপ বাচ্চাগুলোকে ...

সহজকথা থেমে গেল, রাহুল!

ছবি
  " জীবনে জটিলতার শেষ নেই। কিন্তু সব জটিলতার রয়েছে এক সহজ সমাধান - সহজ কথা।" ছেলে সহজকে লেখা বাবা রাহুলের চিঠিটি রেখে দিলাম এখানে: "এই চিঠিটা আজকে ‘ফাদারস ডে’ বলে লিখতে বসা। যদিও তোমার বাবা নিজে বেহদ্দ বাংলা মিডিয়াম। জীবনেও ‘ফাদারস ডে’, ‘মাদারস ডে’— এ গুলো আলাদা করে জানত না, কিন্তু কুঁজোর যেমন চিৎ হয়ে শুতে ইচ্ছে করে, আমারও আজকাল এ সব উদযাপন করতে ইচ্ছা করে। আসলে কিছুই না, তোমাকে কাছে পাওয়ার অজুহাত। জানো সহজ, আমি আর তোমার মা তখন থেকে বন্ধু যখন তোমার মায়ের ১৪ বছর বয়স ছিল, আর আমার ২১। সব ধারাবাহিকে আমরা ভাই-বোন। যে হেতু ছোট, তাই অন্যদের ছেড়ে শেষে আমাদের শট নেওয়া হতো। আর আমরা দু’জন সেটের কোনায় বসে আড্ডা মেরে যেতাম। তোমার মা ছিল বেহালার একজন অ্যাকাউন্টস শিক্ষকের মেয়ে আর আমি খুব সাধারণ এক সরকারি চাকুরের ছেলে। আমরা দু’জন এই ইন্ডাস্ট্রির কিছুই জানতাম না। শুধু জানতাম, মন দিয়ে অভিনয়টুকু করতে। তোমাকে এই গল্প কেন বলছি জানো? যদি কখনও তুমি আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করো, তা হলে তুমি জানবে তুমি প্রিভিলেজড, যে প্রিভিলেজ একটি ১৪ বছরের মেয়ে এবং একটি ২১ বছরের ছেলে দিনের পর দিন অপমানিত হতে হত...