পোস্টগুলি

Thoughts of time

ছবি
"I lost my lost saints in pieces. With some, their voices eroded slowly then quickly like graveyards on seaside cliffs crumbling into ocean. Some began shaking: their hands, then arms, then legs. Some stood up when they could not stand and fell because it was too late for the miracles they could not perform. Some waited too long to see the doctor. All arrived at the hospital too late. One did not return with the martins he loved to the churches of Krakow. One unspooled tire tracks in the snow like a long staff of sad music the night he drove away to try to no longer be a saint. Some turned out to be so evil they’ve been rewritten as monsters, devils, people I wish I had never met." I did not write this poem. The people in the poem have vanished amidst various shocks and upheavals. Yet, the poem itself is essentially about that very act of vanishing...Yet, the lines seemed to articulate my or perhaps our—own unspoken sentiments. Yes, I too have lost my kindred spirits, one by ...

দেশ মানে এক লোকের পাশে অন্য লোক

ছবি
ই তিহাসে এমন অনেক মুহূর্ত তৈরি হয়, যখন রাষ্ট্রের আইন আর মানুষের বিবেক একে অপরের বিপরীতে দাঁড়ায়। Netflix-এর ‘23,000 Lives’ সেই সংঘাতেরই এক জীবন্ত দলিল। এখানে কিছু তরুণ সমুদ্রের দিকে ছুটে যায় শুধু এই বিশ্বাস নিয়ে যে মানুষের জীবন বাঁচানো কোনো রাজনৈতিক অপরাধ নয়, বরং মানবিকতার দিক থেকে এটি তার মৌলিক দায়িত্ব। জার্মানির কিছু দরদী তরুণ মিলে ২০১৬’র দিকে তৈরি করে Jugend Rettet নামে একটি ছোট্ট NGO, যার লক্ষ্য ভূমধ্যসাগরে মৃত্যুর মুখ থেকে পালিয়ে আসা মানুষদের উদ্ধার করা। এই উদ্যোগে তারা কোনো সরকারি প্রশিক্ষণ পায়নি, কোনো রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাও জোটেনি। শেষমেশ ক্রাউড-ফান্ডের অর্থে তাদের উদ্ধার অভিযান শুরু হয়; যার আওতায় একটি ব্যবহৃত মাছ ধরার জাহাজ কিনে ভূমধ্যসাগরে নিয়ে যাওয়া হয় যাতে ডুবন্ত প্রায় শরণার্থীদের পানি থেকে উদ্ধার করা যায়। লুকাস এবং তার দলের প্রধান কাজ ছিল যে মানুষগুলো বাঁচার জন্য মরিয়া হয়ে ডিঙ্গিতে চড়ে সমুদ্র পাড়ি দিচ্ছে, তাদের নিরাপদে তুলে আনা। কিন্তু তাদের এই কাজই রাষ্ট্রের চোখে হয়ে ওঠে অপরাধ। আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা তার সার্বভৌমত্বকে এতটাই মূল্যবান মনে করে যে মানুষের জীবন কখনো কখনো সেই সার...

Congratulations Spain, goodbye dear Messi!

ছবি
S pain won the cup as the more deserving team. In contrast, Argentina appeared shattered and directionless; even Messi was nowhere to be found. I had hoped Messi would display his magic in the final match, but he could not. In reality, Messi's Argentina had already played their absolute best match of the tournament against England in the semi-final. There is no doubt that Messi himself is feeling the pain of this far more acutely than any of us. Congratulations to Spain. Argentina now faces the task of rebuilding the squad. I believe that no football team, let alone Argentina—could ever truly fill the void left by a player like Lionel Messi. Sending much love and best wishes to our beloved Messi. He has given so much to football fans over the years. Heroes create a legacy, and history cherishes it. Just as Lionel Messi’s legacy will remain in our memories—held in reverence and affection—history, too, will carefully preserve it. Farewell to a truly extraordinary magician of football...

মেসি নামের মায়াবী ঘাতক

ছবি
“আমি ইতিহাসের সেরা কিছু ফুটবলারের বিপক্ষে কোচিং করিয়েছি, কিন্তু আজকের মতো রাতগুলোই মনে করিয়ে দেয় লিওনেল মেসি কেন অন্যদের থেকে আলাদা। আমরা পুরো সপ্তাহ ধরে তার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। আমাদের পরিকল্পনা ছিল, মার্কিং প্লেয়ার ছিল, নির্দেশনা ছিল… কিন্তু এর কোনোটিই যথেষ্ট ছিল না। সে তার দুটি অসাধারণ মুহূর্ত দিয়ে আমাদের শাস্তি দিয়েছে। আপনি তাকে ৮৫ মিনিট পর্যন্ত আটকে রাখতে পারেন, কিন্তু আপনার গড়া সবকিছু ধ্বংস করতে মেসির মাত্র পাঁচ সেকেন্ড লাগে। আজ রাতে ঠিক সেটাই ঘটেছে। দুটি অ্যাসিস্ট, কোনো আতঙ্ক নেই, কোনো অপ্রয়োজনীয় মুভমেন্ট নেই, কেবল নিখুঁত ফুটবলীয় বুদ্ধিমত্তা। সে জোর করে খেলা চালায় না। সে অপেক্ষা করে… আর আপনি একটি ভুল করলেই আপনার খেলা শেষ। আমি টাচলাইন থেকে চিৎকার করছিলাম কারণ আমি জানতাম প্রতিবার সে বল পেলেই বিপদ হতে পারে। আমার খেলোয়াড়েরাও তা জানত। কিন্তু মেসি কী করতে সক্ষম তা জানা এবং তাকে সত্যিই থামানো দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস। সে এমন সব পাস দেখতে পায় যা বিশ্ব ফুটবলের আর কেউ কল্পনাও করতে পারে না। লোকেরা গতি এবং শক্তি নিয়ে কথা বলে। মেসির এগুলোর কোনোটিরই প্রয়োজন নেই। মাঠের প...

শোকার্ত তুরাগের পাড়ে গেয়ে যায় দারবিশের বাউল

ছবি
তু রাগ হয়তো ভবিষ্যতেও বয়ে যাবে। সময়ের দাগ কামড় বসাবে শরীরে। ওর জলের অতলে লুকানো জলের দাগ! জল না কি রক্ত? সন্তর্পণে সাক্ষী দিয়ে যাবে নামহীন অসংখ্য মৃত্যুর। একদিন কি তাকে কহর দরিয়া নামে ডাকা হবে? কষ্টচাপা নদী, যার প্রতিটি ঢেউয়ের নিভৃত ভাঁজে থাকে কষ্টের গোপন দলিল, তাকে তো এমন নামেই মানায়! নদীকে যখন জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করা হলো, আমরা ধরে নিলাম বুঝি তাকে মানুষের মতো অধিকার দিলাম, অথচ মানুষের অধিকার মানুষের কাছেই আর রইল না। ফেব্রুয়ারির বাতাসে প্রথম রক্তের গন্ধ, মার্চে তালিকা, এপ্রিলের বৈশাখে হাসপাতালের শীতল বিছানা, মে মাসে ফ্লাইওভারের নিচে ঝুলে থাকা শরীর—সবই যেন তুরাগের বুকের ওপর একটি, একটি করে দাগ হয়ে জমা রইল। ভোল বদলে পারদর্শী মানুষের কাণ্ড যেমন সে দেখেছে, একই মুদ্রার নির্লিপ্তি নিয়ে দেখেছে লাশের ভাসান। মায়ের শরীর ভেঙে পড়েছিল মৃত ছেলের ওপর, জন্মদিনের কেকের মোমবাতি নিভে গিয়েছিল রডের আঘাতে, জেলখানার দেয়াল গিলে ফেলেছিল অসংখ্য শ্বাস। তুরাগ দম আটকে শুনেছে কেবল সে আর্তনাদ, অসহায়ত্ব নিয়ে চোখ বুঁজে ফেলেছিল বুঝি জান্তব জিঘাংসার হলিখেলায়। ওর বেয়াড়া কিছু ঢেউ নিষেধের আজ্ঞা ভুলে অস্ফুটে বলে ওঠেছে ‘আমি-আ...

ইডি নিউম্যানের সঙ্গে কথোপকথন

ছবি
সাক্ষাৎকার বুঝি আত্মপ্রকাশের একটা দরজা খুলে দেবার মতো ব্যাপার। দুজন(কখনো কখনো দুইয়ের অধিক) মানুষের কথোপকথনে প্রসঙ্গ থেকে প্রসঙ্গান্তরে উঠে আসে অনেক কথা, স্মৃতি আর গল্পের বীজ। এতদিন সাক্ষাৎকারগ্রহীতা হিসেবে বেশ কয়েকজন সাহিত্যিকের সাক্ষাৎকার নিয়েছি। তাঁদের সবাই লেখালিখির ক্ষেত্রে উজ্জ্বল এবং বিস্ময় জাগানোর মতো রয়েছে তাঁদের ভক্তপাঠক। তার কিস্যুই নাহার তৃণার নেই। সংগ্রহের যে ব্যাপক বিশাল আগ্রহ আছে তাও নয়। গতবছর পর্যন্ত সাহিত্যে নোবেলখানা কোন উপায়ে বগলদাবা করা যায়, সেটি নিয়ে ভাবতেম। নোবেলপ্রাপ্তি নিয়ে কোনো এক ভিনদেশি সাহিত্যিকের মতামত জানার পর ‘নাআআ এ হতে পারে না’ বলে সেস্বপ্ন ভাসান দিয়েছি। মাথা খারাপ নাকি! কাড়ি কাড়ি সাক্ষাৎকার দেওয়া লাগবে। আজ এই অনুষ্ঠানে যাও, কাল ওইখানে গিয়ে বলো: যখন ফোনটি এলো, আমি তখন আনন্দ নাড়ুতে সবেমাত্র কামড় বসিয়েছি! প্রশ্নকর্তা চোখ মটকে হয়তো বলতে চাইবেন, আরে না, না, ওই ফোন আপনাকে যখন করা হবে তখন হয়তো ওখানে গভীর রাত… তো? যার রাত জাগার অভ্যেস, সে না ঘুমিয়ে নাড়ু খেতে পারে না? যুক্তির মুখে চুনকালি! মোদ্দাকথা, সাক্ষাৎকারের নামে একঘর লোকের সামনে লেখালিখি নিয়ে বলতে হবে...

নব্বই মিনিটের যুদ্ধ এবং আড়ালে থাকা রাজনীতি-মানচিত্র

ছবি
হ ইহই করে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা চলছে। মাঠের ফুটবল গড়িয়ে হাটে-ঘাটে, অলিতে-গলিতে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। বাড়ির যে মানুষগুলোকে পেটের জন্য অফিসে উপস্থিতি দেখাতে হচ্ছে, তারা অফিসে যাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু মন পড়ে রয়েছে টিভির সূচিতে, ফুটবল মাঠে। ছেলে-বুড়ো সবাই বুঁদ হয়ে আছেন এখন ফুটবল-ফুটবল শোরগোলে। আয়োজক তিনটি দেশে চলছে ২০২৬ এর বিশ্বকাপ ফুটবল। আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ স্টেডিয়ামগুলোর টিকিট ও মাঠের ভেতরের আনুষঙ্গিক খরচ এবং খেলা দেখার সামগ্রিক আয়োজন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। মাঠে বসে দেখার জন্য যে টিকিট, তার দাম আকাশছোঁয়া; সে তুলনায় পয়সা দিয়ে হলেও ঘরে বসে খেলা দেখা মন্দ নয়। বাজার অর্থনীতির মাথায় আগুন লেগেছে, তাই আয়োজক দেশে খেলা দেখার জন্য অনেককে কাঁড়ি কাঁড়ি পয়সা গুণে তবেই নিশ্চিত হচ্ছে বিশ্বকাপ উপভোগের আনন্দ। ২০২৬ বিশ্বকাপের দলসংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮টি দেশ করা হয়েছে। নতুন যোগ দেওয়া দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য চারটি হলো: কেপ ভার্দে, কুরাসাও (সবচেয়ে ছোট দেশ হিসেবে ইতিহাস গড়েছে), জর্ডান, উজবেকিস্তান। ফুটবলের মাঠে একেবারেই অপরিচিত নতুন দেশগুলোকে নিয়ে হাসাহাসি কম চলছ...