বোবার শত্রু বোবা নিজেই!
বাংলাদেশের জল-মাটি-বাতাস জুড়ে নিরন্তর চলে সুরের কোলাহল। এই কোলাহল, গোলমালের বিপরীত গোলার্ধের এক অপার্থিব উদযাপন। এর সাথে বাংলাদেশ নামের বদ্বীপ অঞ্চলের রয়েছে নাড়ীর যোগ। এ তার আত্মার একান্ত খোরাক। এদেশের মাঝিমল্লা জলের বুকে নৌকা ভাসায় সুরের মূর্ছনা তুলে। জলের ঢেউ তাতে সঙ্গত করে যায় আপন মনে। ঠেলা বা রিকশাচালক সারাদিনের ক্লান্তি ভুলে যান গানের ভেতর ডুব দিয়ে। এদেশের হাটে-মাঠে-ঘাটে সুরের নিত্য আসা যাওয়া। এমন একটা দেশ থেকে সংগীত বা সুর লোপাটের হুজ্জুত কেন তৈরি হলো? কাদের স্বার্থে? সংগীত যাঁদের ধ্যান-জ্ঞান, তাঁদের অনুভূতি নেই? তাঁদের অনুভূতি নিয়ে ঘন ঘন জান্তব আস্ফালন কেন দেখতে হচ্ছে বাংলাদেশকে? বর্তমানে বাংলাদেশে সংগীতচর্চার ওপর যে অস্বস্তিকর চাপ ক্রমশ বাড়ছে, তা আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মনে হয় না। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কনসার্ট বাতিল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ, সংগীতশিক্ষার পদ বাতিল—এসব যেন এক অদৃশ্য কলকাঠির দৃশ্যমান প্রবণতার অংশ হয়ে উঠেছে। আর সেই প্রবণতার ভয়াবহতম প্রতীক হয়ে ভেসে বেড়াচ্ছে ‘ভাইরাল’ হওয়া একটি ভিডিও। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বিশেষ ‘লেবাস পরিহিত’ কয়েকজন তরুণ হারমনিয়াম-তবলা ভাঙছে লাথি দিয়...